১৬ আগস্ট, ১৯৭১।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্যকালীন সময়ে, মুক্তিবাহিনী "অপারেশন জ্যাকপট" নামে একটি সাহসী অভিযান শুরু করে। এই দুঃসাহসী সিরিজ আক্রমণটি সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা, তাদের যোগাযোগ ব্যাহত করা, অত্যাবশ্যক রসদ দখল করা এবং মুক্তিবাহিনীর মনোবল বাড়ানোর লক্ষ্যে সংঘটিত হয়।
অপারেশনটি তিনটি পর্যায়ে উন্মোচিত হয়।
প্রথমত, মুক্তিবাহিনীর যোদ্ধারা চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর এবং নারায়ণগঞ্জের কৌশলগত বন্দরগুলোতে অনুপ্রবেশ ও আক্রমণ করে। এই আক্রমণের মাধ্যমে পাকিস্তানি সৈন্যদের ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে মূল্যবান সরঞ্জামাদি দখল করে নেয় মুক্তিবাহিনী। এই আক্রমণটি পাকিস্তানি লজিস্টিক্যাল নেটওয়ার্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে বাধাগ্রস্ত করেছিল।
এরপরে, অপারেশনটি পাকিস্তানি বাহিনীর চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণকে সীমিত করার জন্য যোগাযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন করে, সেতু এবং রেলপথ গুঁড়িয়ে দেয়।
এরপরে, অপারেশনটি পাকিস্তানি বাহিনীর চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণকে সীমিত করার জন্য যোগাযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন করে, সেতু এবং রেলপথ গুঁড়িয়ে দেয়।
অপারেশন জ্যাকপট মুক্তিবাহিনীর জন্য একটি দুর্দান্ত সাফল্য ছিল, যা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর যোগাযোগ ও রসদ পরিকল্পনাকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করে, যা যুদ্ধের একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবেই কাজ করে। এই অপারেশনের সফল বাস্তবায়নের ফলাফল হিসেবে বাংলাদেশী জনগণের মধ্যে মনোবল প্রবলভাবে বেড়ে গিয়েছিল।
গুরুত্বপূর্ণ এই অপারেশনের বিজয় প্রকৃতপক্ষে আমাদের বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে দেয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন করতে অবদান রাখে।
এই বিজয়ের সাক্ষী হতে পারলে কেমন হত আপনার দেয়া শিরোনাম?
১২ মে, ২০১৮
এই ঐতিহাসিক দিনে, বাংলাদেশ তার প্রথম স্যাটেলাইট, বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে একটি বিশাল চমক এনে দেয়।
এই মুহুর্তটি আমাদেরকে কোন একদিন মহাকাশচারী জাতি হয়ে ওঠার যাত্রায় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করে।
"জাতির জনক" বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে নাম দেয়া স্যাটেলাইটটি ছিল একটি ভূ-স্থির যোগাযোগ উপগ্রহ যা সারা বাংলাদেশে বিস্তৃত টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটির উৎক্ষেপণ ছিল বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) এবং ফরাসি মহাকাশ নির্মাতা থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস-এর মধ্যে বছরের পর বছর পরিকল্পনা ও সহযোগিতার প্রকাশ।
ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ ব্লক ৫ লঞ্চ ভেহিকেলে উৎক্ষেপণটি হয়েছিল। স্যাটেলাইটটি সফলভাবে ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে তার নির্ধারিত কক্ষপথে আছে।
উৎক্ষেপণটি বাংলাদেশের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন এবং জাতিগতভাবে বিজয়ের সমতুল্য।
বাংলাদেশের এ বিজয়ে কেমন হত আপনার দেয়া শিরোনাম?